আগামীতে নয় হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে একটি সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই তথ্য জানান। মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সমাজে নৈতিক শিক্ষার অভাব দূর করতে ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়ে সরকার কাজ করছে। শুধু ইসলাম ধর্ম নয়, সব ধর্মের প্রতি সমান গুরুত্ব দিয়েই এই শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের জায়গা হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জানান যে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কওমি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেটের স্বীকৃতি ও মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থায় ‘কিরাত’ বিষয় সংক্রান্ত কিছু কারিগরি জটিলতা থাকলেও খুব দ্রুতই তার সমাধান করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। বর্তমান সরকার নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে শিক্ষার মূল ধারায় ফিরিয়ে এনে সামাজিক অপরাধ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।



















