মঙ্গলবার , ১০ মার্চ ২০২৬ | ৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

তেহরানে ৪০ জন নিহত , বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রাচীন প্রাসাদ ক্ষতিগ্রস্ত

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ১০, ২০২৬ ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

তেহরান এবং ইরানের অন্যান্য বড় শহরগুলোতে সোমবার (৯ মার্চ ২০২৬) রাতভর চালানো ভয়াবহ হামলায় পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ও ক্ষয়ক্ষতিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • তেহরানে প্রাণহানি: পূর্ব তেহরানের একটি আবাসিক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় কয়েকটি বহুতল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলার পর পুরো রাজধানী জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সোমবার দিনভর প্রতি এক-দুই ঘণ্টা পরপর শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
  • ইসফাহানে তীব্র বোমাবর্ষণ: ইরানের অন্যতম কৌশলগত শহর ইসফাহানে সোমবার অত্যন্ত তীব্র বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, তারা সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল বেস এবং ল এনফোর্সমেন্ট কমান্ডের সদর দপ্তরে আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনার নিকটবর্তী এলাকায় হামলার কারণে নতুন করে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যদিও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো লিক হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
  • বিশ্ব ঐতিহ্যের ক্ষতি: ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত ১৫শ শতাব্দীর প্রাচীন গোলেস্তান প্রাসাদ (Golestan Palace) এই হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিকটবর্তী অর্গ স্কোয়ারে (Arg Square) বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট শকওয়েভ ও ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এই ঐতিহাসিক প্রাসাদের জানলা, স্টেইনড-গ্লাস প্যানেল এবং কারুকার্যময় খিলানগুলো ভেঙে পড়েছে। ইরানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মন্ত্রণালয় একে ইরানের জাতীয় পরিচয়ের ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে।
  • অন্যান্য লক্ষ্যবস্তু: ইসফাহান ছাড়াও ইয়াজদ এবং কিশ দ্বীপেও বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইসফাহানে একটি গভর্নরের কার্যালয় এবং বেশ কিছু সরকারি ভবনকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এই হামলাগুলো এমন এক সময়ে চালানো হলো যখন ইরানি কর্তৃপক্ষ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করেছে। এই আঞ্চলিক অস্থিরতার ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সূত্র : আল জাজিরা

সর্বশেষ - অপরাধ