মোদী ও ভারতের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ঐতিহাসিক বিজয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই অভিনন্দন জানান। মোদী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন যে, এই নির্ণায়ক বিজয় তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের গভীর আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। বিএনপি এককভাবে ১৮১টির বেশি আসনে জয় নিশ্চিত করায় ভারত দ্রুততম সময়ে এই গণতান্ত্রিক পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দিল।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর বার্তায় বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্য এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে তিনি নতুন সরকারের সাথে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছেন। উল্লেখ্য যে, বিগত কয়েক মাস ধরেই দিল্লির পক্ষ থেকে বিএনপির সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের নানামুখী উদ্যোগ দেখা গিয়েছিল, যার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটল এই অভিনন্দন বার্তার মাধ্যমে।
কূটনৈতিক গুরুত্ব ও স্থিতিশীলতা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারতের এই অভিনন্দন তারেক রহমানের নতুন সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের বৈধতা নিশ্চিত করল। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে যাচ্ছে। তারেক রহমানও ইতিপূর্বে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। এখন সবার নজর নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ এবং দিল্লির সাথে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো (যেমন: তিস্তা চুক্তি ও সীমান্ত হত্যা) নিয়ে আলোচনার দিকে।



















