কেরানীগঞ্জের জয়নগর খাল পরিদর্শনকালে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান দেশের জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষির উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিটি ছিল গ্রামীণ অর্থনীতি পুনর্গঠন ও সেচব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটানোর একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই ধারা বজায় রাখেন, যা স্থানীয় কৃষিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সেই কর্মসূচিকে পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
আমানউল্লাহ আমান আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকারের পরিকল্পনায় খাল খনন ও নদী রক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে। কেরানীগঞ্জের জয়নগর ও শুভাঢ্যা খালের পুনখনন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। তিনি মনে করেন, জলসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত খনন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা অপরিহার্য। এই পরিদর্শন কার্যক্রমে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, যারা স্থানীয় একাধিক খালের বর্তমান অবস্থা ও খনন কাজের প্রয়োজনীয়তা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
সরকারের এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন হলে কেরানীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা মনে করছেন, খালগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে একদিকে যেমন বন্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে, অন্যদিকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অবস্থারও আমূল পরিবর্তন ঘটবে।



















