#ZaimaRahman #WomenEmpowerment #DhakaForum #Democracy #BangladeshFuture
ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের প্রথম নীতি-নির্ধারণী বক্তব্য: ‘আন্তরিকতাই পরিবর্তনের চাবিকাঠি’
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি, ২০২৬) জনপরিসরে তাঁর জীবনের প্রথম নীতি-নির্ধারণী বক্তব্য প্রদান করেছেন। রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘ঢাকা ফোরাম’ আয়োজিত ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জাইমা রহমান তাঁর বক্তব্যে ভিন্নমত ও বৈচিত্র্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সবার আদর্শ বা অভিজ্ঞতা এক না হলেও দেশের মঙ্গলের জন্য একসাথে বসে কথা বলাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য। তিনি বিনয়ের সাথে উল্লেখ করেন যে, তিনি কোনো অলৌকিক সমাধান নিয়ে আসেননি, বরং শিখতে এবং সবার সাথে কাজ করার মানসিকতা নিয়েই এই আঙিনায় পা রেখেছেন।
জাইমা রহমান তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের উন্নয়নে নারীর অনিবার্য ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং জানান যে, জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে পেছনে রেখে দেশ কখনোই টেকসই অগ্রগতির পথে এগোতে পারবে না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বাংলাদেশে নারীরা প্রায় ৮৫ শতাংশ গৃহস্থালি কাজ বিনা পারিশ্রমিকে করেন, যা জিডিপির প্রায় ১৯ শতাংশ হলেও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় তা প্রায়ই অদৃশ্য থেকে যায়। নারী সমতাকে কেবল নারীদের বিচ্ছিন্ন সমস্যা হিসেবে না দেখে একে একটি জাতীয় ও অর্থনৈতিক ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে পারিবারিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সমতা ও সম্মানের পাঠ ঘর থেকেই শুরু হওয়া উচিত।
অনলাইন ও অফলাইনে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাইমা রহমান বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৭৮ শতাংশ নারী ডিজিটাল হয়রানির শিকার হন, যা তাঁদের জনজীবনে অংশগ্রহণে বড় বাধা। তিনি তাঁর দাদি বেগম খালেদা জিয়ার শিক্ষা বিপ্লব এবং মা ডা. জোবায়দা রহমানের পেশাগত জীবনের উদাহরণ টেনে বলেন যে, নারীদের ঘরের বাইরে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে টিকিয়ে রাখতে হলে মানসিকতার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উপস্থিতিতে এই সভায় জাইমা রহমান স্পষ্ট করেন যে, আগামী দিনের বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তিনি জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চান।



















