নানা বাধা-বিপত্তির শঙ্কা সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’তে সাতটি রাজনৈতিক দল ও একটি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই কথা জানান তিনি।
বৈঠক শেষে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন—
“এই নির্বাচন হতে হবে এমন এক উৎসব, যা মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে। কেউ যেন না বলতে পারে—‘আমাকে ভোট দিতে দেয়া হয়নি।’ যারা কখনও ভোট দেননি কিংবা পূর্বে তিক্ত অভিজ্ঞতা পেয়েছেন, তাদের এবার একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা দিতে হবে।”
🔍 ষড়যন্ত্রের শঙ্কা, তবে নির্বাচন হবেই
প্রফেসর ইউনূস বলেন—
“যারা এই অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বাচন পর্যন্ত যেতে দিতে চায় না, তারা বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে। কিছু লক্ষণ ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে, সামনে আরও আসবে। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তবুও আমাদের লক্ষ্য নির্বাচন সম্পন্ন করা এবং নির্বাচিত সরকারের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।”
🤝 রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান
তিনি বলেন,
“এই নির্বাচন শুধু একটি সরকার গঠনের নির্বাচন নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণের নির্বাচন। এটি হবে আত্মনির্ভরতার, সাহসের এবং গণতন্ত্রের পথে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর নির্বাচন। এজন্য আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বাত্মক সহযোগিতা চাই।”
⚠️ সতর্কতা ও নিরাপত্তার বার্তা
দুর্গাপূজা সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা বলেন—
“সারাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। কেউ কেউ গণ্ডগোল সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। সবার সতর্কতা ও সংহতির মাধ্যমে এবারের দুর্গাপূজাও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হবে।”
🏥 নুরের চিকিৎসার নির্দেশ
বৈঠক শেষে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের সহধর্মিনী মারিয়া আক্তার ও নেতারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেন।
এ সময় নূরের সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
🤝 অংশগ্রহণকারী দলসমূহ
আজকের বৈঠকে অংশ নেয়:
- এবি পার্টি
- নাগরিক ঐক্য
- গণসংহতি আন্দোলন
- গণ অধিকার পরিষদ
- এলডিপি
- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
- জাতীয় গণফ্রন্ট
- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ



















