ইরানের প্রতিরোধ আন্দোলনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সরকারের বিরুদ্ধে সংঘটিত বিক্ষোভে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের স্মরণে দেশটিতে জাতীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দায়েশ (আইএসআইএস)-এর মতো বর্বর সহিংসতার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, বাসিজ স্বেচ্ছাসেবক ও পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যার ফলে বহু মানুষ শহীদ হয়েছেন।
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সমন্বয় করে দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ পুনঃস্থাপনে কাজ করছে। দূতাবাস ও সরকারি মন্ত্রণালয়গুলোর ইন্টারনেট সংযোগও শিগগির চালু করা হবে। তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি চলমান বিক্ষোভকে আরও উসকে দিচ্ছে।
চলমান পরিস্থিতিতে সোমবার ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সমর্থনে দেশব্যাপী জাতীয় বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
রোববার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, সরকার অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত রয়েছে, তবে দাঙ্গাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সহনশীলতা দেখানো হবে না।
এনটিএম



















