গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর কঙ্গো নদীতে দুটি নৌকার ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোরে পশ্চিম ইকুয়েটর প্রদেশের লুকোলেলা অঞ্চলের নগোম্বে শহরের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় একটি যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে গেছে। এতে বহু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন ম্পুটু।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে ১৬৩ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর নদী থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের দাফন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে আরও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয়ভাবে স্বজনেরা কিছু মরদেহ উদ্ধার করে অন্যত্র দাফন করে থাকতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন ম্পুটু জানান, রাজধানী কিনশাসা ও মবান্দাকার মধ্যে চলাচলকারী একটি বাণিজ্যিক নৌকার সঙ্গে মঙ্গালা প্রদেশ থেকে কিনশাসাগামী একটি যাত্রীবাহী নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর যাত্রীবাহী নৌকাটি কঙ্গো নদীতে ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া নৌকাটি নদীর প্রায় ১২ মিটার গভীরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল।
কঙ্গোর নদীতীরবর্তী অঞ্চলে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নদীপথ। তবে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, নৌযানের নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দেশটিতে প্রায়ই নৌদুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
সাম্প্রতিক দুর্ঘটনাটির পর নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


















