পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় একটি মসজিদে জুমার নামাজের আগে বোমা হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক ও পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শুক্রবার হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পেশোয়ার পুলিশ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কোহাত জেলার পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদের গেটে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে ধাক্কা দেয় হামলাকারীরা। পরে গাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
হামলার সময় জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে হামলাকারীদের গোলাগুলি হয়। এ সময় পুলিশের গুলিতে একজন হামলাকারী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বার্তাসংস্থা ডিপিএ জানিয়েছে, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী ওই এলাকায় বিস্ফোরণের পর স্থানীয় একটি হাসপাতালে ১৫টি মরদেহ এবং প্রায় ৫০ জন আহত ব্যক্তিকে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক তাহির শাহ জানান, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
এখন পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সক্রিয়তা রয়েছে। সংগঠনটি অতীতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন মসজিদে হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি ও আলজাজিরা।


















