শুক্রবার , ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

‘সংখ্যালঘু নয়, সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিন’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ

Spread the love

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয় প্রত্যেকের থাকতে পারে, তবে জাতীয়তা হিসেবে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

শুক্রবার শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য। সংবিধান অনুযায়ী সব ধর্মের মানুষের ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য না করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের রয়েছে।

তিনি বলেন, সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। তবে শুধু সংবিধানের পাতায় এসব অধিকার সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবেও ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারা বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক। তাই কেউ যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিকত্বের ভিত্তিতে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কিংবা নৃগোষ্ঠী—যে ধর্ম বা সম্প্রদায়ের মানুষই হোন না কেন, প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় বজায় রেখে স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চা করবেন। তবে জাতীয়তার ক্ষেত্রে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং সমান অধিকার ভোগ করবেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই নীতিকে সামনে রেখে জাতীয় পরিচয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক বা নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের পাশাপাশি সবার আগে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রচলিত অর্থে ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দটির পরিবর্তে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতির ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। সমাজে সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী গোপাল চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ - অপরাধ