নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর উদ্ধার অভিযানের বড় অংশ এখন ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর টানেলকে ঘিরে। বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ টানেলে শতাধিক শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তাদের উদ্ধারে ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী জানিয়েছেন, টানেলে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞরা নেপালের উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে কাজ করছেন। দুর্গম এলাকায় পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রিলিং মেশিন, এক্সকাভেটর, হাইড্রোলিক কাটারসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী সরঞ্জাম।
নেপালের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টানেলের দিকে যাওয়ার জন্য ইতোমধ্যে চারটি ছিদ্র করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন সেগুলো ব্যবহার করে সরাসরি টানেলের ভেতরে প্রবেশের প্রস্তুতি চলছে। নিখোঁজ শ্রমিকদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
নেপালের সেনাবাহিনীও উদ্ধার তৎপরতায় যুক্ত হয়েছে। ত্রিশূলী নদী উপত্যকার ত্রিশূলী-৩এ ও ত্রিশূলী-৩বি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলগুলোতে বিশেষভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। জাতীয় দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকালে আকস্মিক কাদা ও ধ্বংসাবশেষের ঢল নামার পর থেকে ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎকর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের একটি অংশ এসব টানেলের মধ্যে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


















