দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে পরিচালকসহ প্রায় শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে জনবল না থাকায় প্রতিদিন স্বাভাবিক প্রশাসনিক ও বাণিজ্য কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় দীর্ঘদিন ধরে ৭৯টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকায় রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, আর এই সুযোগে অসাধু চক্র চালাচ্ছে নানামুখী অনিয়ম। শীর্ষ পদ পরিচালক (প্রশাসন) ফাঁকা থাকার পাশাপাশি উপপরিচালকের ৪টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১ জন কর্মকর্তা, যা দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তদারকিতে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি করেছে।
একই চিত্র ধরা পড়েছে বন্দরের মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও। গুদাম ও ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনায় ২১৬টি পদের বিপরীতে মাত্র ১৪১ জন কর্মরত থাকায় আমদানিকৃত পণ্য খালাসে দ্বিগুণ সময় লাগছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সূত্রে জানানো হয়, পণ্য লোড-আনলোডে বিলম্বের ফলে দেশের সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মানজারুল মান্নান জনবলসংকটের কথা স্বীকার করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।


















