বুধবার , ১৫ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

মেগা প্রকল্পের কাজ শেষের আগেই পদ্মার তীর রক্ষা বাঁধে ধস, মুন্সিগঞ্জে তীব্র আতঙ্ক

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৫, ২০২৬ ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

পদ্মা নদীর ভয়াল ভাঙন থেকে মুন্সিগঞ্জকে রক্ষা করতে ৫২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন স্থায়ী তীর রক্ষা বাঁধে আকস্মিক ধস দেখা দিয়েছে। লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে গাঁওদিয়া বাজারের পশ্চিম পাশে বাঁধের একটি বড় অংশের সিসি ব্লক হঠাৎ পদ্মার তীব্র স্রোতে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়া এই মেগা প্রকল্পে কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার আগেই এমন ধস নামায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যে বাঁধকে দীর্ঘদিনের ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছিল, তা দেড় মাসের মাথায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। স্রোত আরও শক্তিশালী হলে পুরো বাঁধটিই নদীগর্ভে চলে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় ভাঙনকবলিত অনেক পরিবার দিনরাত বাঁধ পাহারা দিচ্ছেন এবং নিরাপত্তাহীনতায় রাতেই ঘরের মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন।

মুন্সিগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা বহুমুখী সেতুর ভাটিতে লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পদ্মা নদীর বাম তীর সংরক্ষণের জন্য ৯ দশমিক ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটি ২০২১ সালের অক্টোবরে শুরু হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্ভব না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বাঁধের পাশে বসবাসকারী মনিরুল ইসলাম ও মো. সাগর জানান, গত রবিবার বিকেলে আকস্মিকভাবে বাঁধের সিসি ব্লক একের পর এক ধসে পড়তে শুরু করে এবং মুহূর্তের মধ্যে একটি বড় অংশ নদীতে তলিয়ে যায়। ঘটনার পর সোমবার সকালে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পরপরই উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের নিয়ে রাতে জরুরি সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে এবং বর্তমানে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

সর্বশেষ - অপরাধ