দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে আগামীকাল (রোববার) আনুষ্ঠানিকভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে. জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি (ইআরপিপি) প্রকল্পের আওতায় এই আধুনিক আইসিইউগুলো স্থাপন করা হয়েছে. নতুন এই জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন. রোববার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে এবং বাকি ৯টি জেলা হাসপাতাল এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবে.
যেসব হাসপাতালে নতুন আইসিইউ চালু হচ্ছে
দেশের তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিতে নিম্নলিখিত ১০টি হাসপাতালে এই আইসিইউ সেবা চালু করা হচ্ছে:
- মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল.
- টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল.
- সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর hospital.
- গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল.
- চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল.
- নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল.
- যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল.
- শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল.
- মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল.
- বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল.
সুযোগ-সুবিধা ও স্থানীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি আইসিইউ ইউনিটে উন্নতমানের পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর এবং প্রয়োজনীয় অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ করার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে. নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলো সার্বক্ষণিক সচল রাখতে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে.
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার ফলে স্থানীয় পর্যায়েই এখন থেকে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ বা নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে. এর ফলে জরুরি ও জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য সাধারণ মানুষকে আর রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্য কোনো বড় শহরের হাসপাতালের দিকে ছুটতে হবে না, যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাব্যয় ও ভোগান্তি উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে.



















