শনিবার , ২৩ মে ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বন্ধ কারখানা চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ২৩, ২০২৬ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ

Spread the love

দেশজুড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালু করা এবং থমকে যাওয়া জাতীয় অর্থনীতিকে দ্রুত চাঙা করার লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক বিশেষ ঋণ তহবিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ শনিবার (২৩মে) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি ও জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নবনিযুক্ত গভর্নর মোস্তাকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেগা তহবিলের ঘোষণা ও বিস্তারিত রূপরেখা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই বিশাল আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজের সঠিক ও সুষম বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বাজারে অন্তত ২৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বেকারত্ব দূরীকরণে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

গভর্নর মোস্তাকুর রহমান তহবিলের সুদের হার ও ঋণ বিতরণের কাঠামো স্পষ্ট করে জানান, এই বিশেষ তহবিলের আওতায় বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে সরকার বার্ষিক ৬ শতাংশ হারে সুদ ভর্তুকি (Subsidy) প্রদান করবে, যার ফলে চূড়ান্ত পর্যায়ে সাধারণ উদ্যোক্তা ও গ্রাহকেরা মাত্র ৭ শতাংশ সুলভ সুদে এই ঋণ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ৬০ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল তহবিলের আর্থিক জোগানের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ করবে এবং অবশিষ্ট ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব ‘পুনঃ অর্থায়ন তহবিল’ (Refinance Scheme) থেকে জোগান দেবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বন্ধ কারখানা সচল করার পাশাপাশি দেশের প্রকৃত টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে কৃষি খাত, তৈরি পোশাক শিল্প (RMG), কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (CMSME) এবং পরিবেশবান্ধব ও সৃজনশীল অর্থনীতি (Creative Economy) খাতে এই ঋণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে, যা জাতীয় জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধি অর্জনে সরাসরি অবদান রাখবে। দেশের ব্যাংকিং খাতের অতীত ক্ষত ও ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে গভর্নর অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানান, “বিগত বছরগুলোতে দেশ থেকে প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা চুরির মাধ্যমে পাচার হয়ে গেছে এবং মোট বিতরিত ঋণের এক-তৃতীয়াংশই অর্থলুটপাটের কারণে পুরোপুরি হাওয়া বা নাই হয়ে গেছে, যার বিপরীতে ব্যাংকের কাছে বর্তমানে কোনো পর্যাপ্ত জামানত বা দৃশ্যমান সম্পদও অবশিষ্ট নেই; তবে নতুন এই তহবিলের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর তদারকি বজায় রাখবে।”

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত