পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে চলমান অস্থিরতা বা ক্ষমতার সম্ভাব্য পালাবদলকে কেন্দ্র করে ‘পুশইন’ বা জোরপূর্বক সীমান্ত দিয়ে কাউকে ঠেলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশ তার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঢাকা সফররত মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক ফলপ্রসূ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশের সীমান্ত ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সম্পূর্ণ আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করবে।
তিস্তা চুক্তি ও কূটনৈতিক অগ্রাধিকার তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের আমলে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হবে কি না, সেটি ভারতের অভ্যন্তরীণ ও নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করেন যে, আগামী জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধুপ্রতীম দেশ চীন অথবা ভারত সফরে যেতে পারেন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফরে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ (Teesta Mega Plan) বাস্তবায়নের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে তিনি জানান।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের যোগসূত্র বর্তমানে যখন দেশীয় প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে বন্যা নিয়ন্ত্রণে ৪ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন এবং হাওরাঞ্চলের ফসল রক্ষায় প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়িয়েছেন, তখন তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরবঙ্গের কৃষি ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক এবং জুন মাসে চীন-ভারত সফরের পরিকল্পনা আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতিরই বহিঃপ্রকাশ।


















