তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই তৎপরতার বিপরীতে ইরানের অবস্থান এখনো অনড় এবং নেতিবাচক। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে পরবর্তী কোনো দফার আলোচনার পরিকল্পনা বা সিদ্ধান্ত তেহরানের নেই। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের সংলাপে বসা অর্থহীন। মূলত, আলোচনার টেবিলে বসার পূর্বশর্ত হিসেবে অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে অটল রয়েছে ইরান।
উল্লেখ্য যে, এর আগে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা প্রায় ২১ ঘণ্টা স্থায়ী হলেও তা কোনো কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। বিশেষ করে পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর সংকট এখনো কাটেনি। এমন পরিস্থিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের এই সফর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত ভূ-রাজনীতিতে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা চলছে।



















