রবিবার , ১২ এপ্রিল ২০২৬ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তি ও গৌরবের প্রতীক বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ১২, ২০২৬ ৭:২৮ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রবিবার (১২ এপ্রিল, ২০২৬) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন। ভাষণে তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা দলের সম্পদ নয়, বরং রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:


১. সশস্ত্র বাহিনীর মূল ভিত্তি ও আদর্শ

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর চলার পথের প্রধান স্তম্ভগুলো স্মরণ করিয়ে দেন:

  • রাষ্ট্রীয় মর্যাদা: সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থাই হবে এই বাহিনীর মূল ভিত্তি।
  • জিয়াউর রহমানের আদর্শ: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে চেতনা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
  • ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড: ২৬শে মার্চ, ২১শে নভেম্বর এবং ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহকে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

২. ঐতিহাসিক ও সাম্প্রতিক ভূমিকার মূল্যায়ন

বিগত দিনগুলোতে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন:

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময়ে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময় জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও স্থবির অর্থনীতি সচল রাখতে বাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
  • অবাধ নির্বাচন: গত ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর দেওয়া সহায়তার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ২০০৯ সালে পিলখানার পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার এবং দীর্ঘ দেড় দশকে বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

৩. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ‘স্মার্ট ও পেশাদার’ বাহিনী

আগামী দিনের আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করেছেন:

  • বিশ্বমানের পেশাদারিত্ব: নতুন প্রজন্মের সেনা সদস্যদের সাহস ও প্রজ্ঞাকে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সমন্বয় করে একটি বিশ্বমানের ‘স্মার্ট’ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হবে।
  • জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন: বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা এবং বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদা উজ্জ্বল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
  • কূটনৈতিক উন্নয়ন: ‘মিলিটারি টু মিলিটারি পার্টনারশিপ’ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করাই তাঁদের পবিত্র চূড়ান্ত দায়িত্ব বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:


১. সশস্ত্র বাহিনীর মূল ভিত্তি ও আদর্শ

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর চলার পথের প্রধান স্তম্ভগুলো স্মরণ করিয়ে দেন:

  • রাষ্ট্রীয় মর্যাদা: সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থাই হবে এই বাহিনীর মূল ভিত্তি।
  • জিয়াউর রহমানের আদর্শ: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে চেতনা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
  • ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড: ২৬শে মার্চ, ২১শে নভেম্বর এবং ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহকে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

২. ঐতিহাসিক ও সাম্প্রতিক ভূমিকার মূল্যায়ন

বিগত দিনগুলোতে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন:

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময়ে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময় জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও স্থবির অর্থনীতি সচল রাখতে বাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
  • অবাধ নির্বাচন: গত ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর দেওয়া সহায়তার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
  • পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ২০০৯ সালে পিলখানার পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার এবং দীর্ঘ দেড় দশকে বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

৩. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ‘স্মার্ট ও পেশাদার’ বাহিনী

আগামী দিনের আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করেছেন:

  • বিশ্বমানের পেশাদারিত্ব: নতুন প্রজন্মের সেনা সদস্যদের সাহস ও প্রজ্ঞাকে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সমন্বয় করে একটি বিশ্বমানের ‘স্মার্ট’ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হবে।
  • জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন: বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা এবং বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদা উজ্জ্বল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
  • কূটনৈতিক উন্নয়ন: ‘মিলিটারি টু মিলিটারি পার্টনারশিপ’ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করাই তাঁদের পবিত্র চূড়ান্ত দায়িত্ব বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে পুনর্ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

আমাদের কোনো কার্ড নেই, জনগণই আমাদের একমাত্র শক্তি

হেরাথ-পোথাসের দাবি নাসুমকে চড় মারেননি হাথুরু

ফেনীতে নদীর পানি বৃদ্ধিতে বাঁধ ভেঙে ৩০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি

নতুন বাজেটে বাড়ছে বয়স্ক, বিধবা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ

মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ১৬ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে বিএসএফ

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশের স্বাদ পেল বাংলাদেশ

‘গণভোট ও জুলাই সনদ ছাড়া নির্বাচন নয়’ — ডা. শফিকুর রহমান

শুধু নির্বাচনের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়নি, সংস্কার নিয়ে বিরোধ নেই: তারেক রহমান

শাহজালাল বিমানবন্দরে বহির্গমন টার্মিনালে আগুন, কোনো হতাহতের ঘটনা নেই

জ্বালানি তেলের দামে নতুন বৃদ্ধি, কার্যকর আজ থেকেই