প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রবিবার (১২ এপ্রিল, ২০২৬) সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন। ভাষণে তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা দলের সম্পদ নয়, বরং রাষ্ট্রের শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. সশস্ত্র বাহিনীর মূল ভিত্তি ও আদর্শ
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর চলার পথের প্রধান স্তম্ভগুলো স্মরণ করিয়ে দেন:
- রাষ্ট্রীয় মর্যাদা: সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থাই হবে এই বাহিনীর মূল ভিত্তি।
- জিয়াউর রহমানের আদর্শ: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে চেতনা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
- ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড: ২৬শে মার্চ, ২১শে নভেম্বর এবং ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহকে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
২. ঐতিহাসিক ও সাম্প্রতিক ভূমিকার মূল্যায়ন
বিগত দিনগুলোতে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময়ে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময় জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও স্থবির অর্থনীতি সচল রাখতে বাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
- অবাধ নির্বাচন: গত ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর দেওয়া সহায়তার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ২০০৯ সালে পিলখানার পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার এবং দীর্ঘ দেড় দশকে বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
৩. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ‘স্মার্ট ও পেশাদার’ বাহিনী
আগামী দিনের আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করেছেন:
- বিশ্বমানের পেশাদারিত্ব: নতুন প্রজন্মের সেনা সদস্যদের সাহস ও প্রজ্ঞাকে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সমন্বয় করে একটি বিশ্বমানের ‘স্মার্ট’ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হবে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন: বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা এবং বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদা উজ্জ্বল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
- কূটনৈতিক উন্নয়ন: ‘মিলিটারি টু মিলিটারি পার্টনারশিপ’ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করাই তাঁদের পবিত্র চূড়ান্ত দায়িত্ব বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
১. সশস্ত্র বাহিনীর মূল ভিত্তি ও আদর্শ
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর চলার পথের প্রধান স্তম্ভগুলো স্মরণ করিয়ে দেন:
- রাষ্ট্রীয় মর্যাদা: সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থাই হবে এই বাহিনীর মূল ভিত্তি।
- জিয়াউর রহমানের আদর্শ: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে চেতনা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন, তা ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।
- ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড: ২৬শে মার্চ, ২১শে নভেম্বর এবং ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহকে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহ্যের মেরুদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
২. ঐতিহাসিক ও সাম্প্রতিক ভূমিকার মূল্যায়ন
বিগত দিনগুলোতে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময়ে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময় জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও স্থবির অর্থনীতি সচল রাখতে বাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
- অবাধ নির্বাচন: গত ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর দেওয়া সহায়তার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
- পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ২০০৯ সালে পিলখানার পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার এবং দীর্ঘ দেড় দশকে বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
৩. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: ‘স্মার্ট ও পেশাদার’ বাহিনী
আগামী দিনের আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করেছেন:
- বিশ্বমানের পেশাদারিত্ব: নতুন প্রজন্মের সেনা সদস্যদের সাহস ও প্রজ্ঞাকে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সমন্বয় করে একটি বিশ্বমানের ‘স্মার্ট’ সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হবে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন: বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা এবং বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদা উজ্জ্বল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
- কূটনৈতিক উন্নয়ন: ‘মিলিটারি টু মিলিটারি পার্টনারশিপ’ উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করাই তাঁদের পবিত্র চূড়ান্ত দায়িত্ব বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে পুনর্ব্যক্ত করেন।



















