দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া এই উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ কর্মসূচির প্রথম তিন দিনেই লক্ষ্যমাত্রার ১৯ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় একটি ইতিবাচক দিক। বিশেষ করে ১৮ জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলাকে প্রাধান্য দিয়ে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে যে গতি দেখা যাচ্ছে, তা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।
বর্তমানে ছয়টি বিভাগের ৩০টি জেলায় প্রায় ১২ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার যে বিশাল কর্মপরিকল্পনা রয়েছে, তার সফল বাস্তবায়ন নির্ভর করছে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ওপর। ইতিমধ্যে ২ লাখ ২৮ হাজারেরও বেশি শিশু সুরক্ষিত হয়েছে, যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মতৎপরতারই প্রতিফলন। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটা সহজ হবে।
সামনে আরও বড় পরিসরে এই কার্যক্রম পরিচালিত হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং ৩ মে থেকে দেশব্যাপী যে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে, সেটি হবে এই লড়াইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। বড় শহরগুলোতে জনঘনত্ব বেশি হওয়ায় সেখানে দ্রুত টিকাদান সম্পন্ন করা জরুরি। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সঠিক সময়ে শিশুদের কেন্দ্রে নিয়ে আসা নিশ্চিত করতে পারলে এই মহামারি সদৃশ পরিস্থিতি দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।



















