চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে তিন দিনের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরের শেষ দিনে শুক্রবার (১৫ মে) ট্রাম্প দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক ব্যাখ্যায় জানান, শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পতনশীল দেশ’ হিসেবে যে মন্তব্য করেছিলেন, তা বর্তমান প্রশাসন নয় বরং সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়কার পরিস্থিতির ইঙ্গিতবাহী।
সফরের অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা:
- ইতিবাচক আলোচনা: গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত ভোজসভায় ট্রাম্প শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠককে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে হওয়া আলোচনা উভয় দেশের অর্থনীতির জন্যই ইতিবাচক হবে।
- হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ: ট্রাম্প আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও তাঁর স্ত্রী পেং লিউয়ানকে হোয়াইট হাউস সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
- ব্যবসায়িক গুরুত্ব: প্রায় ৯ বছর পর কোনো ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন টেসলা ও এনভিডিয়ার মতো শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা, যা দুই দেশের বাণিজ্যিক স্থবিরতা কাটানোর ইঙ্গিত দেয়।
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র তার দুর্বল অবস্থা কাটিয়ে উঠে বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও আলোচিত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি নতুন ও স্থিতিশীল অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা



















