বুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

গাজায় ভবন ধসে নিহত ২০, ধ্বংসস্তূপে শতাধিক আটকা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ৮:২৭ অপরাহ্ণ

Spread the love

গাজা শহরে যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে গাজা সিভিল ডিফেন্স।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজা শহরে ভবনটি ধসে পড়ে। গাজা সিভিল ডিফেন্সের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচ শিশু রয়েছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন। আল জাজিরার যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয়রা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন। একই সময়ে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশু ও অন্যান্য জীবিত ব্যক্তিদের বের করে আনছেন।

উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের মধ্যে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুও ছিল। পরে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গাজা সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল আল জাজিরাকে বলেন, উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার এবং নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে। তবে প্রয়োজনীয় ভারী সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

আগে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভবনটি

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটি এর আগে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরে সেটি ধসে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুদ্ধের কারণে গাজাজুড়ে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণসামগ্রী ও ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে সংকট তৈরি হয়েছে।

মাহমুদ বাসাল বলেন, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে অনেক ফিলিস্তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব ভবন তাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র ও তাঁবুর অভাবের কারণেও অনেকের বিকল্প থাকার ব্যবস্থা নেই।

উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ - অপরাধ