মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানিয়েছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ ও পঙ্গু হয়েছেন, তাঁদের কল্যাণেও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় নিবিড়ভাবে কাজ করছে। রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) সকালে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, চব্বিশের বিপ্লবীদের দেখভালের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব এই মন্ত্রণালয়ের রয়েছে।
মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল হাইলাইটস:
- শহীদ ও আহতদের প্রতি আন্তরিকতা: মন্ত্রী বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই আমাদের বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছে। একইভাবে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের বিষয়ে আমরা অত্যন্ত আন্তরিক এবং তাঁদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”
- মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও কমান্ড কাউন্সিল: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে যে গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে, তার প্রতিফলন প্রতিটি কমিটিতে থাকা উচিত। তিনি চান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল যেন সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হয় এবং এ লক্ষে কাজ করার জন্য কিছুটা সময় চেয়েছেন।
- প্রশাসনিক মতবিনিময়: টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এই সভায় মন্ত্রী জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার এবং জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তৃণমূল পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং চব্বিশের স্পিরিট সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।



















