নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসে জানিয়েছে যে, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটার, প্রার্থী এবং পোলিং এজেন্টরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভোটাররা ফোন নিয়ে কেন্দ্রে যেতে পারবেন এবং ছবিও তুলতে পারবেন, তবে কোনোভাবেই মোবাইল ফোন নিয়ে গোপন কক্ষে (যেখানে ব্যালটে সিল মারা হয়) প্রবেশ করা যাবে না। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে ইসি তাদের আগের পরিপত্রটি সংশোধন করে দিচ্ছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সচিব আরও জানান:
- প্রচারণা শেষ: আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সকল ধরনের সভা, সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ডিজিটাল প্রচারণা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে।
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: এখন পর্যন্ত সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে ঝিনাইগাতী ও অন্য একটি স্থানে দুটি প্রাণহানির ঘটনাকে তিনি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেন।
- ষড়যন্ত্র ও গুজব রোধ: অপতথ্য বা তথ্যের অপপ্রচারকে এবারের নির্বাচনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইসি। এ লক্ষ্যে মেটা (ফেসবুক) কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হয়েছে এবং একটি বিশেষ সেল নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করছে।
এর আগে রবিবার ইসি জানিয়েছিল যে, কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ থাকবে। কিন্তু সাংবাদিক সমাজ ও বিভিন্ন মহলের উদ্বেগের মুখে কমিশন সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন করল। সচিব আশ্বস্ত করেন যে, ভোটাররা যেন আনন্দমুখর পরিবেশে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
আমি কি নির্বাচনের দিন যান চলাচ


















