কমিশনের কার্যক্রম ও পর্যালোচনা অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো নির্ধারণে গঠিত পে কমিশনের কাজ কোনোভাবেই থমকে যায়নি। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি, ২০২৬) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, কমিশনের ২১ জন সদস্য বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করছেন। এটি একটি বড় এবং জটিল কাজ হওয়ায় এতে সময় লাগছে। বিচার বিভাগ ও প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা সুপারিশসহ একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরির কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
বাস্তবায়ন ও গভর্নরের মন্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ উপদেষ্টা স্পষ্ট করেছেন যে, বেতন কাঠামোর বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এখতিয়ারভুক্ত নয়। এটি সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্ত। তিনি জানান, কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পর সরকার তা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করবে এবং এরপরই নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে। তবে কমিশনের প্রতিবেদন ২১ জানুয়ারির মধ্যে জমা হতে পারে এবং নির্বাচনের আগে এটি কার্যকর হবে কি না, তা প্রতিবেদনের সুপারিশের ওপর নির্ভর করবে।
অংশীজনদের মতামত ও প্রস্তুতি নতুন এই বেতন কাঠামোতে মূল্যস্ফীতি এবং বর্তমান জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করা হচ্ছে। পে কমিশন বিভিন্ন অংশীজনের কাছ থেকে লিখিত ও সরাসরি মতামত গ্রহণ করেছে। উপদেষ্টার মতে, সরকার একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী বেতন কাঠামো উপহার দিতে চায়, যা সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সহায়ক হবে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য শীঘ্রই একটি আনুষ্ঠানিক তারিখ জানানো হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।



















