হত্যার নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবির তদন্তে উঠে এসেছে, আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড নিয়ে হাদির জোরালো সমালোচনা ও বক্তব্যের কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। কিলিং মিশনের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা পল্লবীর সাবেক কাউন্সিলর এবং যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী।
ভারতে পলাতক প্রধান আসামিরা মামলায় ১৭ জন আসামির মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার হলেও প্রধান ৫ জন এখনো অধরা। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ, মোটরসাইকেল চালক আলমগীর শেখ এবং পরিকল্পনাকারী বাপ্পীসহ চারজন বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। বাপ্পী ভারতীয় নাগরিকত্বের ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সেখানে আত্মগোপন করেছেন। এমনকি তিনি গোপনে দেশে ফিরে বিয়ে করে পুনরায় ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
চার্জশিট ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ১৭ জনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে। পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে ডিবি প্রধান জানিয়েছেন, আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হলে রাষ্ট্রীয় সংস্থার মাধ্যমে বন্দী বিনিময় চুক্তি বা ইন্টারপোলের রেড নোটিশের সহযোগিতা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমান হাদি মারা যান।



















