আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটবদ্ধ রাজনীতিকে আরও সুদৃঢ় করতে সক্রিয় হয়েছে বিএনপি। সমমনা যে কোনো রাজনৈতিক দলকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। ছোট-বড় সংগঠন নির্বিশেষে জাতীয় স্বার্থে একমত হতে পারলেই তাদের এই জোটে যুক্ত করা হবে।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনপূর্ব আসন সমঝোতা ও পরবর্তী জাতীয় সরকার গঠনের লক্ষ্যে জোট ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক শুরু করেছেন। শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১২-দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, এলডিপি ও আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার গণতন্ত্র মঞ্চ ও বাম ঐক্যের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
বিএনপির নেতারা জানান, এখনো চূড়ান্ত আসন বণ্টন হয়নি, তবে শরিকদের প্রত্যাশিত আসনের তালিকা নেওয়া শুরু হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এবার জামায়াতে ইসলামীকে জোটে না রাখার সিদ্ধান্তের কথাও স্পষ্ট করা হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার চেষ্টা চলছে। অন্য নেতারাও জানান, নির্বাচন, সরকার গঠন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় শরিক দলগুলোর সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে।
সভায় উপস্থিত নেতারা মনে করেন, প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচনের সুস্পষ্ট ঘোষণার মাধ্যমে দেশে নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ফল। তারা ভবিষ্যতেও ঐক্য ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


















