গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার, যেখানে গুমের অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। গুমের ফলে মৃত্যু হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা জরিমানার বিধানও যোগ করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও সমান শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে—অধস্তনদের গুমে সংশ্লিষ্টতা, আদেশ, অনুমতি বা তত্ত্বাবধান ব্যর্থতার জন্যও তারা দায়ী থাকবেন।
গত ৬ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদন পাওয়া এই অধ্যাদেশে গুমের মামলাকে জামিন ও আপোস অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং অভিযোগ গঠনের ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, গুমের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে আটক করে অস্বীকার করা, তার অবস্থান গোপন রাখা বা গোপন আটককেন্দ্র ব্যবহার করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযুক্ত পলাতক হলেও অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গুমবিরোধী সনদে যুক্ত হওয়ার পর দেশে জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে গেজেটে।


















