রোববার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে রংপুর মেট্রোপলিটন মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি জানান, দুই যুবক হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। এ কারণে তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়নি। জবানবন্দিতে তারা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আদালত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে শনিবার রাতে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৪) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৮)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর রোববার ভোরে একই এলাকার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে আটক করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন


















