বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিনের অকার্যকর ও জটিল প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে এসে বাংলাদেশ এখন স্বচ্ছ, আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সোমবার ব্র্যাক সেন্টারে সিপিডি আয়োজিত এক ডায়ালগে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, ১৯৯০-এর দশকের ধারণা অনুযায়ী তৈরি ইমপ্লিমেন্টেশন এগ্রিমেন্ট এখন আর কার্যকর নয়। সরকারের লক্ষ্য হলো ট্যারিফকে প্রতিযোগিতামূলক রাখা, যাতে ইউটিলিটি সময়মতো পেমেন্ট করতে পারে—এটাই প্রকল্পগুলোর জন্য বড় গ্যারান্টি।
তিনি আরও জানান, প্রকল্প অর্থায়নে ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত প্রতিযোগিতামূলক বিল না পাওয়া প্রকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি সরকারি ভবন, স্কুল ও হাসপাতালগুলোতে রুফটপ সোলার স্থাপনসহ সৌর বিদ্যুৎ কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে চলছে।
জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে বিআরইবি জানায়, ৮০টি সমিতির নিজস্ব ভবনে সোলার স্থাপন চলছে। এছাড়া ১ হাজার ৭৫২টি নেট-মিটারিং সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে, যার ক্ষমতা ১৪৩ মেগাওয়াটের বেশি। মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সৌর স্থাপনসহ বিভিন্ন উদ্যোগও চলছে।
ডায়ালগে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. রেজওয়ান খানসহ বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।



















