আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সব নির্বাচনের জন্য একটি স্থায়ী ‘বেঞ্চমার্ক’ বা মানদণ্ড হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি, ২০২৬) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অধ্যাপক ইউনূস রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন যে, একটি অবাধ ও স্বচ্ছ ভোটগ্রহণের জন্য সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে এটি একটি উৎসবমুখর আয়োজন হবে। জবাবে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন গত ১৮ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং জানান, যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে বিজয়ীদের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছে।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে শ্রম আইনের সংস্কার, রোহিঙ্গা সংকট এবং প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা আসিয়ানের সদস্যপদ লাভ এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি শুল্ক কমানোর জন্য তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা ঢাকা ও ওয়াশিংটনের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



















