ইরান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে ওয়াশিংটনে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত বুধবার হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক শুনানিতে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের হিসাব দিলেও আইনপ্রণেতাদের মাঝে তা তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। ডেমোক্র্যাটিক নেতা এবং অর্থনীতিবিদদের দাবি, এই পরিসংখ্যানটি অত্যন্ত নগণ্য এবং অসম্পূর্ণ। তারা মনে করেন, গোলাবারুদ ও সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াও যুদ্ধের পরোক্ষ প্রভাবে মার্কিন অর্থনীতির প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ ৬৩০ বিলিয়ন থেকে ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তিন মাস ধরে চলা এই সংঘাতের পর ক্যাপিটল হিলে এটিই ছিল হেগসেথের প্রথম উপস্থিতি, যেখানে তিনি সমালোচকদের ‘অকর্মণ্য ও হতাশাবাদী’ বলে আক্রমণ করেছেন।
এদিকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন আগামী বছরের জন্য ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের এক রেকর্ড পরিমাণ প্রতিরক্ষা বাজেট প্রস্তাব করেছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সামরিক খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ব্যয় বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর যে ক্ষতি হয়েছে, পেন্টাগন সম্ভবত তার সঠিক চিত্র প্রকাশ করছে না। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার এই চলমান সংঘাত বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা না যাওয়ায় মার্কিন সাধারণ মানুষের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।



















