জেন-জি আন্দোলনের জোয়ারে পতন হয়েছে নেপাল সরকারের। এরই মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে শপথ নিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। তার সুপারিশে শুক্রবার রাতেই সংসদ ভেঙে দেন প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল এবং ২০২৬ সালের ৫ মার্চ নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
৭৩ বছর বয়সী কার্কির নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ছোট মন্ত্রিসভার অন্তর্বর্তী সরকার, যার মেয়াদ ছয় মাস। এই সময়ে নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরকারকে। এর মাধ্যমে কার্কি ইতিহাস গড়লেন নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে।
গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। ৮ সেপ্টেম্বর সংসদে ঢোকার চেষ্টা করলে গুলি চালনায় বহু শিক্ষার্থী নিহত হন। এর পরদিন ক্ষুব্ধ জনতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিসহ শীর্ষ মন্ত্রীদের বাড়িতে হামলা চালায়। শেষমেষ ওলি পদত্যাগ করে আত্মগোপনে যান।
২০১৬-১৭ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুশীলা কার্কি দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন, যা তাকে তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।



















