ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে আজ রবিবার (২৯ মার্চ, ২০২৬) এক অত্যন্ত ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, সংসদ যদি ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, তবে তার প্রভাব পুরো দেশেই পড়বে এবং জাতীয় জীবনেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- ইনসাফের গুরুত্ব: ডা. শফিকুর রহমান ডেপুটি স্পিকারের আসনটিকে ‘ইনসাফের চেয়ার’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই আসন থেকে নিরপেক্ষভাবে সবার পাওনা অধিকার নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ এটাই কামনা করে যে, সংসদ হবে দেশের সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু।”
- নিরপেক্ষতার প্রশংসা: ডেপুটি স্পিকার তাঁর ভাষণে যে নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার ভূয়সী প্রশংসা করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক মানসিকতা নিয়ে সংসদ পরিচালনা করলে দেশের গণতন্ত্র আরও সুসংহত হবে।
- ভুল সংশোধনে সহযোগিতার আশ্বাস: ডেপুটি স্পিকার মানুষ হিসেবে ভুল হতে পারে বলে যে বিনয় প্রকাশ করেছিলেন, তার জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আপনার চেয়ারের জায়গা থেকে যদি কোনো ভুল হয়ে যায়, তবে আমরা আপনাকে নিঃসঙ্কোচে শুধরে দিয়ে সহযোগিতা করব।”
- সংসদীয় শিষ্টাচার: বিরোধীদলীয় নেতা ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালনে তাঁর দলের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ ও সংগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি ডেপুটি স্পিকারের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
আজকের এই অধিবেশনে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ লক্ষ্য করা গেছে, তা সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় পর একটি অংশগ্রহণমূলক সংসদে ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের এই দাবি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।



















