রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকার বিভিন্ন দোকান ও গুদাম থেকে প্রায় ১১০০টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে সামুরাই ছুরি ও চাপাতি, যা সরবরাহ করা হতো কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারীদের কাছে।
শনিবার রাতে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ আর্মি ক্যাম্পে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে মোহাম্মদপুর সেনা ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিম আহমেদ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টানা দুই দিন অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে যেসব সামুরাই ছুরি উদ্ধার হচ্ছিল, তার উৎস অনুসন্ধান করতেই এই অভিযান চালানো হয়। এসব অস্ত্রের কোনো বৈধ গৃহস্থালি ব্যবহার নেই। গত কয়েক মাসে এগুলো ব্যবহার করে একাধিক হত্যাকাণ্ড, আহত, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই সংঘটিত হয়েছে।”
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কিছু ব্যবসায়ী এসব অস্ত্র ভাড়া বা বিক্রি করছিল অপরাধীদের কাছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অপরাধীদের কোনো যোগসাজশ রয়েছে কিনা, তা গোয়েন্দা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। উদ্ধার হওয়া সব অস্ত্র গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেনাবাহিনী ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামুরাই ছুরি বা এ ধরনের ধারালো অস্ত্র বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানানো হয়েছে, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার খবর পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে জানানোর জন্য।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিম আহমেদ বলেন, “কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান নেবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”



















