ঈদ উপলক্ষে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি গ্যাসের দাম কিছুটা কমেছে। জুন মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৮ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে এর দাম ছিল ১ হাজার ৪৩১ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি কেজি এলপিজির দাম কমেছে ২ টাকা ৩০ পয়সা।
নতুন দাম ও কার্যকারিতা
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এর চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আজ সোমবার (২ জুন, ২০২৫) এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন দর ঘোষণা করেন। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে। বিইআরসি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করলেও, বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ প্রায়শই শোনা যায়। গৃহস্থালীর কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় এই ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার।
বিস্তারিত মূল্যহ্রাস
বিইআরসি-এর নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সহ প্রতি কেজি ১১৬ টাকা ৯৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে এটি ছিল ১১৯ টাকা ২৪ পয়সা। এই হিসাব মেনেই বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।
অন্যান্য গ্যাসের দাম
- সরকারি এলপিজি: সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
- অটোগ্যাস: গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি (অটোগ্যাস) এর নতুন দাম প্রতি লিটার ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৬৫ টাকা ৫৭ পয়সা। অর্থাৎ, অটোগ্যাসের দাম লিটারে ১ টাকা ২৭ পয়সা কমেছে।
দাম নির্ধারণের পদ্ধতি
বিইআরসি ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে। এলপিজি তৈরির প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো প্রতি মাসে এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে, যা ‘সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি)’ নামে পরিচিত। এই সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে এবং আমদানিকারক কোম্পানির চালান মূল্য থেকে গড় করে ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে।
এই মূল্যহ্রাস আপনার দৈনন্দিন খরচে কতটা প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন?


















