শুক্রবার , ১৬ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ঋণমুক্তি ও সম্পদশালীদের ওপর কর বাড়ানোর দাবিতে ব্যাংককে বিক্ষোভ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ১:২৯ অপরাহ্ণ

Spread the love

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন ঘিরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ঋণসংকটে থাকা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ঋণ বাতিল, বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ভর্তুকি বন্ধ, সম্পদশালীদের ওপর বেশি কর আরোপ এবং অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিতে রাস্তায় নামেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারও সম্মেলনস্থলের দিকে বিক্ষোভ মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। থাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম দ্য নেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ‘অ্যাসেম্বলি অব দ্য পুওর’ নামের সংগঠনের প্রায় ৫০০ সদস্য ব্যাংককের লুমফিনি পার্কের গেট-১ এলাকায় জড়ো হন। সেখান থেকে তাঁরা কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের (কিউএসএনসিসি) দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। সম্মেলনস্থল ও আশপাশের এলাকায় এ সময় কঠোর নিরাপত্তা ছিল।

বিক্ষোভকারীরা তাঁদের ছয় দফা দাবি তুলে ধরতে চান। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে ঋণসংকটে থাকা দেশগুলোর ঋণ বাতিল, বিদেশি ঋণসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে জনগণের নজরদারির সুযোগ, বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ভর্তুকি বন্ধ এবং সম্পদশালীদের ওপর প্রগতিশীল কর আরোপ।

বৃহস্পতিবারও বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারও কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী সম্মেলনস্থলের দিকে মিছিল করেন। তাঁদের কারও কারও মুখে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভাসহ বিশ্বনেতাদের মুখোশ। এ ছাড়া ডলারের চিহ্নযুক্ত চোখসহ বড় গোলাপি শূকরের একটি প্রতীকী কাঠামো নিয়ে মিছিল করেন তাঁরা।

এ সময় সম্মেলনস্থলের কাছাকাছি সড়কে কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

দ্য নেশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের মিছিলে শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ‘পিপলস নেটওয়ার্ক অ্যাগেইনস্ট দ্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংক অ্যান্ড আইএমএফ’ এবং কয়েকটি নাগরিক সংগঠনের সদস্যরা ব্যাংককের রামা-৪ মোড়ের কাছে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। শুক্রবারও তাঁদের একাংশের অবস্থান অব্যাহত ছিল।

ছয় দফা দাবিতে ঋণনীতি ও করব্যবস্থার সংস্কারের আহ্বান

বিক্ষোভকারীদের অন্যতম দাবি, ঋণসংকটে থাকা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ঋণ বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের বিদেশি ঋণ নেওয়া ও ব্যবহারের বিষয়ে জনগণের নজরদারি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দেওয়া ভর্তুকি বন্ধ করে সেই অর্থ কৃষি ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনব্যবস্থায় ব্যয়ের দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। পাশাপাশি করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও সম্পদশালীদের ওপর প্রগতিশীল কর আরোপের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তাঁরা।

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক করা এবং অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে মানুষ ও পরিবেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছে বিক্ষোভে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের ঋণ এবং উন্নয়ননীতি নিয়ে আলোচনা শুধু অর্থায়নের বিষয় নয়। এসব সিদ্ধান্ত একটি দেশের উন্নয়নের গতিপথ, মানুষের অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষার ওপরও প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ঋণের চাপ, বৈষম্য ও জলবায়ুঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ

বিশ্ব অর্থনীতিতে ঋণের চাপ, জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি বাড়ার প্রেক্ষাপটে এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব চাপ বিশেষ করে উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়কে আরও কঠিন করে তুলছে।

এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের বিক্ষোভে পারিবারিক ঋণ, দারিদ্র্য, পরিবেশদূষণ ও জলবায়ুজনিত দুর্ভোগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, অর্থনৈতিক সংকটের বোঝা দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তুলনামূলক বেশি বহন করতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতিতে বৈষম্য কমানো, সামাজিক সুরক্ষা বাড়ানো এবং পরিবেশের ক্ষতি কমানোর বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার।

সম্মেলনস্থল ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকায় বিক্ষোভকারীদের পক্ষে সরাসরি সম্মেলনস্থলে গিয়ে দাবি তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়ে বলে দ্য নেশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের দাবিগুলো আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণনীতি, উন্নয়ন অর্থায়ন ও জবাবদিহি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আবারও সামনে এনেছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের নির্দিষ্ট কোনো প্রতিক্রিয়ার তথ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়নি।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রিজার্ভ বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংককে আইএমএফের অভিনন্দন

মিত্রদের আসন দাবিতে চাপে বিএনপি, ছাড় পেতে পারে সর্বোচ্চ ৫০টি

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

তারেক রহমান: রাষ্ট্রসুরক্ষার জন্য আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা জরুরি

হাদিকে গুলি করা হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে ডিএমপি

দেড় সপ্তাহের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী

আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক

অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিতে গিয়ে বিস্ফোরণ

ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে দ্রুত নীতিমালা করছে সরকার

২১০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ-ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি