বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক পর্যায় থেকে নয়, বরং ভারতের আদালতের মাধ্যমে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা। রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে আনা অভিযোগগুলো ভারতের আইনি কাঠামোর আওতায় অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত কি না—সেটি প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় মূল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’-এর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠাতে ইতোমধ্যে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। দুই দেশের ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি ও ভারতের ১৯৬২ সালের এক্সট্রেডিশন অ্যাক্ট অনুযায়ী বর্তমানে নথিগুলো পর্যালোচনা করছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। চুক্তি অনুযায়ী রাজনৈতিক অপরাধ প্রত্যর্পণের বাইরে থাকলেও হত্যা ও গণহত্যা এর আওতায় পড়বে। শীর্ষ কর্মকর্তা আরও জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত একদিকে যেমন ভারতের বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে, তেমনি ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার নিবিড় কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেও সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে।


















