বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী, অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বঙ্গভবনের নতুন অভিভাবক হিসেবে পেতে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রহর গণনা শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে বিএনপির প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। একই দিনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষে এলডিপি প্রধান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের দুটি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। তবে জাতীয় সংসদে বিএনপির একক দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে শুধু ভোটের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরেই তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার পরপরই তিনি দলের মহাসচিব ও সকল রাজনৈতিক পদ থেকে পদত্যাগ করেন। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী মহাসচিব মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মির্জা ফখরুলের পক্ষে প্রস্তাবক হিসেবে ড. আবদুল মঈন খান এবং সমর্থক হিসেবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্বাক্ষর সংবলিত মনোনয়নপত্র জমা দেন। ফখরুলের রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের সংবাদে তাঁর জন্মভূমি ঠাকুরগাঁওসহ সারাদেশে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।


















