আরব সাগরের তীরে নতুন একটি বন্দর নির্মাণ ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের উপদেষ্টারা যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন বলে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের পাসনি শহরে একটি বাণিজ্যিক টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ খাতে প্রবেশাধিকার দেবে। শহরটি ইরান থেকে মাত্র ১০০ মাইল ও চীনের সহায়তায় নির্মিত গোয়াদর বন্দর থেকে ৭০ মাইল দূরে অবস্থিত।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস লিখেছে, পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা গড়ে তুলতে চাইছে।
সূত্র জানায়, গত মাসে ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে এই প্রস্তাব হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে পৌঁছেছিল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
প্রস্তাবনাটিতে বলা হয়েছে, বন্দরটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবে নয়, বরং রেল সংযোগ ও খনিজ বাণিজ্য উন্নয়নের বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
এছাড়া পাকিস্তান ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে আরও কয়েকটি বিষয়েও আগ্রহ দেখিয়েছে—যেমন আইএসআইএস-কে বিরোধী সহযোগিতা জোরদার, গাজা শান্তি পরিকল্পনায় সমর্থন, এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণ।
রয়টার্স জানিয়েছে, প্রস্তাবের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, হোয়াইট হাউস কিংবা পাকিস্তান সেনাবাহিনী কেউই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।



















