মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে তাঁদের স্বার্থ দেখার জন্য পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি সুনির্দিষ্ট স্লোগান ব্যবহার করি, সেটি হচ্ছে—‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’। আমি আমার অবস্থান থেকে আমার দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থকে পুরোপুরি রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।” আজ শনিবার (২৭ জুন, প্রতিবেদনে উল্লিখিত ২৯ জুন মূলত চলতি সপ্তাহের শনিবারের অধিবেশন) বেলা ১১টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় অর্জনে দলমত নির্বিশেষে এক হওয়ার আহ্বান
দ্বিপাক্ষিক এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের প্রাপ্তি ও কূটনৈতিক সফলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “এখানে আমাদের কারোরই কোনো ব্যক্তিগত এজেন্ডা বা বিষয় নেই। এই দ্বিপাক্ষিক সফরের মাধ্যমে যদি কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকে, ভালো কোনো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে এটি একক কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, বরং এটি সমগ্র বাংলাদেশের অর্জন। এই সফরের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের অর্থনৈতিক বা কৌশলগত কোনো কল্যাণ সাধিত হয়ে থাকে, সেটি এ দেশের সাধারণ মানুষেরই অর্জন।” তিনি রাষ্ট্র গঠনে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সবাইকে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
বিরোধীদলীয় নেতাকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন
সংসদে উত্থাপিত বিভিন্ন গঠনমূলক আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “যেহেতু সংসদের সকল সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা (ডা. মো. শফিকুর রহমান) দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ও উৎসাহ প্রদান করেছেন, সেজন্য আবারও আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সকল সম্মানিত সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।” সরকারের পাশাপাশি বিরোধী দলের এই ইতিবাচক ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



















