রবিবার , ৩১ মে ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বিরোধী দল নামের তালিকা দিলেই জুলাই সনদের পথ ধরে হাঁটব: আইনমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Sawkat Shihan
মে ৩১, ২০২৬ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

সংসদ অধিবেশনের শেষ সেশনের আগে বিরোধী দলকে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সরকারের আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান. এই কমিটিতে সরকারের পক্ষ থেকে সাতজন এবং পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রতিনিধি রাখা হয়েছে. বাকি পাঁচটি আসন বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের জন্য বরাদ্দ রেখে তাদের কাছ থেকে নাম চাওয়া হয়েছে. বিরোধী দল থেকে জানানো হয়েছে যে তারা আগামী সেশনে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে. সরকার বর্তমানে তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে এবং বিরোধী দলের প্রতিনিধি পাওয়া মাত্রই সংবিধান সংশোধনের জন্য ‘জুলাই সনদ’-এর পথ ধরে হাঁটা শুরু করা হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন. রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন.

বাতিল হওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হয়নি, বরং সেগুলো এখনো সংসদে উপস্থাপন করা হয়নি. সরকার এগুলোকে আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করছে. এরই মধ্যে মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম কমিশন আইন—এই দুটি সুনির্দিষ্ট আইন নিয়ে প্রথম দফার আলোচনা বা ‘ফাস্ট কনসাল্টেশন’ সম্পন্ন হয়েছে. এই প্রক্রিয়া থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ সরকারের হাতে এসেছে, যা বর্তমানে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হচ্ছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভব হলে সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনের কাতারে নিয়ে আসা হবে বলে তিনি জানান.

অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুরে চাঞ্চল্যকর শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আইনমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই মামলায় আদালত আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করবেন. তিনি বলেন, সরকারের হাতে যতটুকু সময় ও আইনি ক্ষমতা রয়েছে, তার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হয়েছে. পূর্বে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দাখিল করার কথা ছিল এবং আলহামদুলিল্লাহ, এক সপ্তাহের মধ্যেই তা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে. মামলার বাকি প্রক্রিয়া আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এবং সরকার আদালতকে এই বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবে. সোমবার আদালত খোলার প্রথম দিনেই মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে এটি শুনানির জন্য রাখা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ায় সরকার কেবল আদালতের কাছে প্রার্থনা করতে পারে. তবে মামলার বর্তমান সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করবেন বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন.

সর্বশেষ - অপরাধ