যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল মাসে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) বেড়ে ৩.৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত মার্চ মাসে ছিল ৩.৩ শতাংশ। দেশটির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর এই তথ্য অনুযায়ী, চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের জেরে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা ও জ্বালানি বাজারে সৃষ্ট অস্থিরতাই এই মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি পরিবহনে যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে মার্কিন অভ্যন্তরীণ বাজারে। বৈশ্বিক জ্বালানির প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মার্কিন অর্থনীতিকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
অর্থনৈতিক এই নেতিবাচক পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়। রয়টার্স/ইপসস-এর সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের জনসমর্থন বর্তমানে মাত্র ৩৬ শতাংশে অবস্থান করছে। জরিপে অংশ নেওয়া দুই-তৃতীয়াংশ আমেরিকান জানিয়েছেন, তারা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে চরম চাপের মধ্যে রয়েছেন। অনেক নাগরিকই মনে করছেন, প্রশাসন যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি রিপাবলিকান দলের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা কংগ্রেসে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াইকে কঠিন করে তুলতে পারে।


















