নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-১৪-এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। র্যাব-১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আজ দুপুর ১২টায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে র্যাব কার্যালয়ে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও আইনি পদক্ষেপ অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি সেই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল এবং নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। তার মা জীবিকার তাগিদে সিলেটে কর্মরত থাকায় শিশুটির শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়টি দেরিতে নজরে আসে। গত ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করার পর থেকেই পুলিশ ও র্যাব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে।
সামাজিক ন্যায়বিচার ও সংস্কার বর্তমানে দেশে যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে এবং ‘মানবিক ও সুশৃঙ্খল’ সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হচ্ছে, তখন শিশু শিক্ষার্থীর ওপর শিক্ষকের এমন পাশবিকতা জনমনে চরম ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। গত মঙ্গলবারই জেলা প্রশাসক সম্মেলনে অপসাংবাদিকতা ও এআই-এর অপব্যবহার রোধে কঠোর প্রস্তাব আনা হয়েছে, যাতে সামাজিক অস্থিরতা রোধ করা যায়। এই ধরনের জঘন্য অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।



















