আগামী জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন বা ভারত সফর নিয়ে বর্তমানে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার (৫ মে) বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে এই সফরের ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হতে যাচ্ছে তাঁর প্রথম বিদেশ সফর, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কৌশলগত বার্তার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও চীন সফর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বর্তমান চীন সফরে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ (Teesta Mega Plan) আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে রয়েছে। প্রায় ৪,৬৩৫ কোটি টাকার এই বিশাল প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের আলোচনা এখন চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জুনের সফরে এই প্রকল্পের বিষয়ে কোনো বড় ঘোষণা বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির চ্যালেঞ্জ প্রধানমন্ত্রী জুনে প্রথমে ভারত নাকি চীন সফর করবেন, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সফর চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সময় এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর নরেন্দ্র মোদিসহ বিশ্বনেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং ভারতে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ভারতের সাথে বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রেখে চীনের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়ানোই এখন বর্তমান সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির মূল চ্যালেঞ্জ।



















