বুধবার , ৮ এপ্রিল ২০২৬ | ২রা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন পাস

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ৮, ২০২৬ ১২:১৩ অপরাহ্ণ

Spread the love

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে আজ বুধবার (৮ এপ্রিল, ২০২৬) একটি ঐতিহাসিক বিল পাস হয়েছে। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন এবং স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

বিলের মূল বৈশিষ্ট্য এবং গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. আইনের কার্যকারিতা ও সময়সীমা

এই আইনটি বিশেষ ভূতাপেক্ষ (Retroactive) ক্ষমতা সম্পন্ন:

  • কার্যকর: আইনটি ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।
  • সময়কাল: ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী সব ঘটনার ক্ষেত্রে এই আইন বলবৎ হবে।

২. গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞাসমূহ

আইনটিতে কয়েকটি বিষয়কে সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে:

  • গণঅভ্যুত্থানকারী: যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
  • রাজনৈতিক প্রতিরোধ: ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত সব কার্যক্রম।
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সংঘটিত অভ্যুত্থান।

৩. আইনি সুরক্ষা ও মামলা প্রত্যাহার

বিলটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা:

  • মামলা বাতিল: অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং অভিযোগ দ্রুত প্রত্যাহার করা হবে।
  • নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ: এই আইনের অধীনে সুরক্ষা প্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওই সময়ের ঘটনা নিয়ে নতুন করে কোনো মামলা বা আইনি কার্যধারা শুরু করা আইনত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
  • আইনের প্রাধান্য: বিদ্যমান অন্য যেকোনো আইনের ওপর এই আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাবে।

৪. উদ্দেশ্য ও কারণ

বিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধের সময় আত্মরক্ষা এবং জনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলনকারীরা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকেই এই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

তবে বিলে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, রাজনৈতিক প্রতিরোধের বাইরে যদি কেউ সংকীর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো হত্যাকাণ্ড বা অপরাধ সংঘটন করে থাকে (বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার), তবে তা এই সুরক্ষার আওতায় পড়বে না।

এই বিল পাসের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিপ্লবীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হলো এবং তাদের আইনি হয়রানি থেকে মুক্তির পথ সুগম হলো।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

অকার্যকর তিন স্থলবন্দর সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা

বাংলাদেশ–ভারতের ইতিবাচক সম্পর্ক ধরে রাখতে শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি

ধানুশ–কৃতির সিনেমা চার দিনে ৬০ কোটি রুপি আয় করেছে

খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত করল ইরান: ৪০ দিনের শোক ঘোষণা

নয়াপল্টনে শিশুকে দুই শিক্ষকের পৈশাচিক নির্যাতন: ভিডিও ভাইরাল

ভেনেজুয়েলার নৌযানে দ্বিতীয় দফায় মার্কিন হামলার অনুমোদন

সাহস ও সততার পথে এগোলে জনগণ পাশে থাকবে: তারেক রহমান

দেশে হামে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজারের বেশি

ইরানের ওপর মার্কিন হামলা: ‘আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি’ – জাতিসংঘ

প্রধানমন্ত্রীর সাথে অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ