প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় না উঠে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজের ছোট এই বাসাটিতে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এবং গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি সপরিবারে এখানে বসবাস করছেন। উল্লেখ্য, এই বাড়িটি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যার দলিলপত্র গত বছর আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ঈদের সময়সূচী ও কর্মসূচি:
- ঈদের নামাজ: প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে উপস্থিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
- শুভেচ্ছা বিনিময়: নামাজ শেষে সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কূটনীতিক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।
- বাসভবন প্রস্তুতি: গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি প্রধানমন্ত্রীর বসবাসের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে। এই বাড়ির পাশেই ‘ফিরোজা’ ভবনে তাঁর মা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বসবাস করেন।
সরকারি বাসভবন যমুনায় না থাকলেও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ভবনটি ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে গুলশান এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।



















