কানাডার কবি ও প্রাবন্ধিক অ্যান কারসন ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল প্রায় ৫টার দিকে সুইডিশ অ্যাকাডেমি এ বছরের নোবেলজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করে।
ধ্রুপদি সাহিত্যের সঙ্গে সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমকালীন সাহিত্যে নতুন ধারা তৈরির জন্য অ্যান কারসনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তাঁর সাহসী ও উদ্ভাবনী সাহিত্যকর্ম নোবেল কমিটির বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে।
অ্যান কারসনের পুরো নাম অ্যান প্যাট্রিসিয়া কারসন। ১৯৫০ সালের ২১ জুন কানাডার অন্টারিওর টরন্টোতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দীর্ঘ কর্মজীবনে কবিতা লেখা, অনুবাদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কারসন।
কবিতা, কথাসাহিত্য ও একাডেমিক গবেষণার সীমানাকে একে অপরের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ধরনের সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। ধ্রুপদি সাহিত্য ও সমকালীন চিন্তার মধ্যে সংযোগ স্থাপন তাঁর লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
সাহিত্যে নোবেলের ইতিহাস
১৯০১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মোট ১১৮ বার এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে এবং পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ১২২ জন সাহিত্যিক। তাঁদের মধ্যে নারী সাহিত্যিকের সংখ্যা ১৮ জন।
এ ছাড়া চারবার একাধিক সাহিত্যিককে যৌথভাবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন হাঙ্গেরির লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।
৫০ বছর গোপন থাকে মনোনয়ন
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের মনোনয়ন ও বিবেচনাপ্রক্রিয়া দীর্ঘদিন গোপন রাখে সুইডিশ অ্যাকাডেমি। মনোনীতদের নাম ৫০ বছর পর্যন্ত প্রকাশ করা হয় না।
এ কারণে পুরস্কার ঘোষণার আগে সম্ভাব্য বিজয়ীর নাম নিশ্চিতভাবে জানা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতি বছর নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সময়ই নতুন বিজয়ীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়


















