কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতের নির্দেশে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বয়স কম হওয়ায় তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দুই কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানো হবে। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবেন। তাদের মধ্যে সিয়ামকে এ মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার রাত ১১টার দিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, একটি হত্যা মামলায় পুলিশ চার আসামিকে কারাগারে হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
এর আগে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগের দিন শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল সে। অপ্রতিমের মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।
রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এদিকে, রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে


















