সোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

রপ্তানিযোগ্য তেলের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে সৌদির

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৮:১৩ অপরাহ্ণ

Spread the love

সৌদি আরবের রপ্তানিযোগ্য তেলের মজুদ দ্রুত কমে আসছে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ তেল পাইপলাইন আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে পুনরায় চালু করা না গেলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি ইরাক থেকে ছোড়া একাধিক ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ এই পাইপলাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাইপলাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

রয়টার্সকে দেওয়া শিল্প খাতের সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পাইপলাইনটি মেরামতে সময় নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। একটি সূত্র জানিয়েছে, মেরামতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। অন্য একটি সূত্রের ধারণা, এর চেয়ে কম সময়েই মেরামত শেষ হতে পারে এবং কাজ চলার সময় সীমিত পরিসরে তেল পরিবহনও পুনরায় শুরু করা সম্ভব হতে পারে।

তবে এখন পর্যন্ত সৌদি সরকারের গণমাধ্যম দপ্তর বা জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সময়সীমা জানানো হয়নি।

প্রতিদিন ৪০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন

আরব উপদ্বীপজুড়ে বিস্তৃত ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনটি সৌদি আরবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ছয় মাসে সামরিক সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ার সময় এই পাইপলাইনটি সৌদি আরবকে বিকল্প পথে তেল রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছে।

এই পাইপলাইনের মাধ্যমে সৌদি আরব প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের উপকূলীয় ইয়ানবু বন্দরে পাঠিয়ে থাকে। এই পরিমাণ বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশের সমান।

পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে দেশটির রপ্তানিযোগ্য তেলের মজুদের ওপর চাপ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

হুথিদের তৎপরতায় বাড়ছে উদ্বেগ

সৌদি আরবের তেল পরিবহন ব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বেড়েছে ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর সাম্প্রতিক তৎপরতায়। শুক্রবার লোহিত সাগরের প্রবেশপথের একটি দ্বীপ দখলের দাবি করেছে হুথিরা। এর আগেও সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো ও পরিবহন ব্যবস্থাকে হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি।

সংঘাত শুরুর আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করা হতো। তবে শিল্প খাতের সূত্রগুলোর মতে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের পরিমাণ কমে প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে।

উৎপাদনও কমেছে সৌদির

সংঘাতের প্রভাবে সৌদি আরবের তেল উৎপাদনেও বড় ধরনের পতন হয়েছে বলে জানা গেছে। সৌদি আরব ওপেককে জানিয়েছে, সংঘাত শুরুর আগে ফেব্রুয়ারিতে দেশটির দৈনিক তেল উৎপাদন ছিল প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ ব্যারেল।

অন্যদিকে আগস্টে উৎপাদন কমে দাঁড়িয়েছে দৈনিক প্রায় ৬২ লাখ ব্যারেলে।

এ অবস্থায় ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন দ্রুত পুনরায় চালু করা না গেলে সৌদি আরবের রপ্তানিযোগ্য তেলের মজুদ, রপ্তানি সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহ—তিন ক্ষেত্রেই বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের ব্যক্তিরা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত
https://amarbanglanews24.com/

গুম কমিশনকে সর্বোচ্চ সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রধান উপদেষ্টার

রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ

সালাহউদ্দিন আহমেদ: ইসলামবিদ্বেষী নয় বিএনপি, সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চায় দল

প্রতারকের জালে কোটি ডলার খুইয়ে বিস্মিত মেক্সিকান ধনকুবের

যেসব এলাকায় টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

এরদোগানের কড়া বার্তা: ইসরায়েল ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’, সিরিয়ার অখণ্ডতা রক্ষায় তুরস্ক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ

রাজনীতির নামে নাশকতার সুযোগ নেই: সেনা কর্মকর্তা

ডাউন সিনড্রোম সচেতনতা মাসে ক্ষমতায়নের ওপর জোর

ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েনে অর্থ-বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না: অর্থ উপদেষ্টা

বরুড়ায় পথসভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান