ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা শুধু স্থাপনা, ভবন বা যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভরশীল নয়। কোনো ধরনের আগ্রাসন চালিয়েও দেশটির বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি থামানো সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠকে অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদল।
সম্প্রতি দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিনিধিদল জানায়, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের কয়েকটি শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাহত হলেও ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতার মূল ভিত্তি—বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, দক্ষ মানবসম্পদ ও দীর্ঘদিনের গবেষণা—অক্ষত রয়েছে।
ইরানি প্রতিনিধিদের দাবি, স্থাপনায় হামলা কিংবা বিজ্ঞানীদের হত্যা করা সম্ভব হলেও মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান ও জ্ঞানের ভিত্তি ধ্বংস করা যায় না। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, সঞ্চিত জ্ঞান এবং নিজস্ব অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে ইরান যে পারমাণবিক সক্ষমতা গড়ে তুলেছে, তা একদিনে তৈরি হয়নি বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিনিধিদল আরও জানায়, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে ইরানের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা, ফসলের উন্নয়ন, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য সংরক্ষণ, রেডিওআইসোটোপ উৎপাদন এবং চিকিৎসা ও শিল্প খাতে বিকিরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বিবৃতিতে তুলে ধরা হয়েছে।
সূত্র: মেহের নিউজ ও প্রেস টিভি।


















